সকল নিরাপত্তা বাহিনী শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে ব্রিগেডিয়ার ……কামাল মামুন

মোঃ সালাউদ্দিন:-গুইমারা রিজিয়নে নানা আয়োজনে উদযাপিত হলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ২৬ তম বর্ষপূর্তি।

০২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ২৬ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২৪ ডিভিশনের আওতাধীন গুইমারা রিজিয়ন কর্তৃক নানাবিধ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

গুইমারা রিজিয়নের সকল জনসাধারণ ধর্ম, জাতি ও সাংস্কৃতি নির্বিশেষে আয়োজিত সকল কর্মসূচীতে স্বত:স্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে।

সকাল ১০ ঘটিকায় শহীদ লেঃ মুশফিক হাইস্কুল মাঠ থেকে সকল জনসাধারণ কাধে কাধ মিলিয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা প্রদান করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ কামাল মামুন বিএ এমএস, এনডিসি, পিএসসি, জি, কমান্ডার ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড এবং  রিজিয়ন কমান্ডার গুইমারা রিজিয়ন।
উক্ত আলোচনা সভায় বিজিবি সেক্টর কমান্ডার গুইমারা, জোন কমান্ডার যামিনীপাড়া, জোন কমান্ডার সিন্দুকছড়ি, পৌরসভা মেয়র রামগড়, উপজেলা চেয়ারম্যান গুইমারা, উপজেলা চেয়ারম্যান মাটিরাঙ্গা, উপজেলা চেয়ারম্যান মানিকছড়ি, অধ্যক্ষ ডিগ্রী কলেজ মাটিরাঙ্গা, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রী বক্তৃতা প্রদান করেন।

উক্ত আলোচনা সভায় রিজিয়ন কমান্ডার পার্বত্য শান্তি চুক্তির সাফল্য হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর অবদান বর্ণনা করেন।

আলোচনা শেষে রিজিয়ন কমান্ডার গুইমারা রিজিয়ন সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মানবিক সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম এর উদ্বোধন করেন।

গরীব ও দুস্থ্য জনসাধারণের মধ্যে শীতবস্ত্র সহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও দিনব্যাপী অত্র রিজিয়নের আওতাধীন ৭টি দুর্গম এলাকায় মেডিকেল ক্যম্প পরিচালনা ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

বিকাল ০৩ ঘটিকায় প্রীতি ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়।

যেখানে পাহাড়ি-বাঙ্গালী জনসাধারণের অংশগ্রহণে একটি উপভোগ্য প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি কতৃক খেলায় অংশগ্রহণকৃত সকলের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পরিশেষে রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, গুইমারা রিজিয়নে নিয়োজিত সেনা, বিজিবি, আনসার, পুলিশ সহ সকল নিরাপত্তা বাহিনী শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এধারা অব্যাহত থাকবে।