মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ হিসেবে আসতে পারেন যাঁরা

দৈনিক এই আমার দেশ দৈনিক এই আমার দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভায়। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী দায়িত্বে থাকছেন বলে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতারা নিশ্চিত করেছেন। আবার অর্থ, জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্র, খাদ্য, দুর্যোগ ও ত্রাণ, শিক্ষা, আইন, ধর্ম, ভূমি, বস্ত্র ও পাট এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গুলোতে আসতে পারে নতুন মুখ।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে যাত্রা শুরু হয়েছিল বর্তমান সরকারের। এদের মধ্যে ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও দু’জন ছিলেন উপমন্ত্রী। শেষ পর্যন্ত ওই মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫৩ জন। এবারও নবগঠিত মন্ত্রিসভার আকার ৫০-এর আশেপাশে থাকতে পারে। নতুন মন্ত্রিসভা কবে শপথ নেবেন তা এখনও অনিশ্চিত। তবে আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে এই শপথ হচ্ছে সেটা নিশ্চিত।

মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ হিসেবে যারা আসতে পারেন তাদের মধ্যে প্রথমেই আছেন বাংলাদেশ ওডিআই ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। এবারের মন্ত্রিসভায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন তিনি।

এছাড়াও ঢাকার সালমান এফ রহমান, বেনজীর আহমেদ, এ কে এম রহমতুল্লাহ, হাবিবুর রহমান মোল্লা ও আকবর হোসেন পাঠান ফারুক, সিলেটের ইমরান আহমেদ, পঞ্চগড়ের নুরুল ইসলাম সুজন, খুলনার পঞ্চানন বিশ্বাস, রংপুরের টিপু মুনশি, জয়পুরহাটের আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, নওগাঁর সাধন চন্দ্র মজুমদার, সিরাজগঞ্জের হাবিবে মিল্লাত মুন্না, কুষ্টিয়ার মাহবুব উল আলম হানিফ এবং বাগেরহাটের শেখ হেলালউদ্দিনের নামও আছে আলোচনায়।

যশোরের কাজী নাবিল আহমেদ, গাজীপুরের জাহিদ আহসান রাসেল, সিমিন হোসেন রিমি, কিশোরগঞ্জের নূর মোহাম্মদ, মানিকগঞ্জের নাঈমুর রহমান দুর্জয়, পিরোজপুর আসনের শ ম রেজাউল করিম, মুন্সিগঞ্জের মৃণাল কান্তি দাশ, নারায়ণগঞ্জের গাজী গোলাম দস্তগীর, নরসিংদীর নূরুল মজিদ হুমায়ূন, মাদারীপুরের আবদুস সোবহান গোলাপ, ময়মনসিংহের শামসুদ্দীন আহমেদ, হবিগঞ্জের মাহবুব আলী, কুমিল্লার সেলিমা আহমাদ মেরী, চাঁদপুরের শফিকুর রহমান, চট্টগ্রামের মহিবুল হাসান নওফেল ও মোস্তাফিজুর রহমান। পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে কুজেন্দ্র লাল আছেন আলোচনায়।

টাঙ্গাইল থেকে আব্দুর রাজ্জাক, গোপালগঞ্জের ফারুক খান, চাঁদপুরের দীপু মনি আবার ফিরতে পারেন মন্ত্রিসভায়। ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার নামও আছে আলোচনায়। সে ক্ষেত্রে দলের সভাপতি রাশেদ খান মেনন নাও থাকতে পারেন।

পদোন্নতি পেতে পারেন বর্তমান মন্ত্রিসভার পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হতে পারেন।

এদের মধ্যে অনেকের নামই নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।