ব্যাটিংটা একই রকমই রইল খুলনার

দৈনিক এই আমার দেশ দৈনিক এই আমার দেশ

ডেস্ক : বিপিএলে আজ দিনের শেষ ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১১৭ রান তুলেছে খুলনা টাইটানস
আগের দুই ম্যাচে টস জিতে পরে ব্যাটিং করেছে খুলনা টাইটানস। কোনো ম্যাচেই ব্যাটিং তেমন একটা ভালো হয়নি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ তাই আজ সিদ্ধান্ত বদল করে আগে ব্যাটিং করলেন। কিন্তু তাতেও খুলনার ব্যাটিংয়ের বেহাল দশা পাল্টায়নি। শেষ দিকে রাজশাহী কিংসের বোলারদের কুশলী পারফরম্যান্সে ৯ উইকেটে মাত্র ১১৭ রানেই থেমেছে খুলনার ইনিংস।

খুলনা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ব্যাটেও রান নেই। আগের দুই ম্যাচেই হতাশ করা খুলনা অধিনায়ক আজ চারে নেমে পেয়েছিলেন ইনিংস বড় করার সুযোগ। পর পর দুই ওভারে দুই ওপেনার পল স্টার্লিং ও জুনায়েদ সিদ্দিককে (২৩) হারিয়ে খুলনা তখন ধুঁকছে। পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে (৫.৩ ওভারে ২ উইকেটে ৪০) নেমে মাহমুদউল্লাহ টিকেছেন মাত্র ১৮ বল। মাত্র ১১ রানে যখন আউট হলেন খুলনা তখন ১০ ওভার পেরিয়ে ৪ উইকেটে ৬৪। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে অযথাই আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। খুলনা অধিনায়কের নিশ্চয়ই আক্ষেপ হয়েছে, আর পাঁচ-ছয় ওভার থাকতে পারলে দলীয় সংগ্রহটা আরও বড় হতো।

১০.৩ ওভারে ৬৪ রানে টপ অর্ডারের প্রথম চার ব্যাটসম্যান হারিয়ে পথচ্যূত হওয়ার শঙ্কায় ছিল খুলনা। কিন্তু খুলনার স্কোরকে শেষ পর্যন্ত লড়াকু বানিয়েছেন পাঁচে নামা ডেভিড মালান। এই ইংলিশ ব্যাটিং অলরাউন্ডার আজ দলে সুযোগ পেয়েই নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করেন। আরিফুল হকের সঙ্গে ২৪ বলে ২৮ রানের জুটি গড়ে আগে ভিতটা পাকা করেছেন মালান। ১৪.৩ ওভারে আরিফুল (১২) আউট হয়ে ফিরলেও মালান খেলেছেন ১৮ বলে ২৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।

১৫তম ওভার শেষে খুলনার স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ৯৫। শেষ ৩০ বলে খুলনা রান বাড়াতে সচেষ্ট হলেও ১৬তম ওভারে মাত্র ৬ রান দেন রাজশাহীর পেসার মোস্তাফিজ। পরের ওভারে এই চাপ কাটাতে গিয়ে প্রথম বলেই সৌম্য সরকারকে উইকেট দেন মালান। সৌম্য সেই ওভারে মাত্র ৬ রানে ১ উইকেট নিয়ে খুলনাকে আরও চাপে ফেলে দেন। পরের ওভারে ৭ রান খরচায় আরও একটি উইকেট নিয়ে চাপটা ধরে রাখেন রাজশাহীর লঙ্কান পেসার ইসুরু উদানা। ১৮তম ওভার শেষে খুলনার স্কোর ৭ উইকেটে ১১৪।

মালান আউট হওয়ার পর ডেভিড ভিজে ও আরিফুল ব্যর্থ হলে খুলনার বোলাররা ইনিংসের বাকি সময় রান তোলার লড়াই করেছেন। শেষ ৫ ওভারে দুর্দান্ত বল করেছে রাজশাহী। ১৯তম ওভারে এসে মাত্র ১ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজ। আর শেষ ওভারে একটি রান আউট আর একটি বোল্ড আউট করে দারুণ সমাপ্তি টানেন উদানা।

রাজশাহীর হয়ে সেরা দুই বোলার মোস্তাফিজ ও উদানা। ১৮ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ আর ১৫ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন উদানা।