ঝিনাইদহে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় গড়ে উঠেছে একাধিক বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা কর্তৃপক্ষের যোগসাজষে অবৈধ ভাবে দখল করে বছরের পর বছর চালিয়ে যাচ্ছে বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পানি উন্নয়ন বোর্ডে ১০০গজের মধ্যেই একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, ফলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ব্যাপক ছাত্র সংকটে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০০২সালের দিকে ৫বছরের অনুমতিতে অক্্রফোর্ড একাডেমি গড়ে উঠলেও বছরের বছর অবৈধ ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি, একই ভাবে এফ এম এ্যাডুকেয়ার একাডেমি একটি ছোট বিল্ডিং নিয়ে শুরু করলেও অবৈধ ভাবে আরও একটি বিল্ডিং দখল করে নিয়ে চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। কোন প্রতিষ্ঠনই নির্ধারিত ভাড়ার টাকাও পরিশোধ করেনা দীর্ঘদিন। অক্্রফোর্ড একাডেমির মাসিক ভাড়া ১৪,২৯৪টাকা ১০মাস যাবৎ বকেয়া রয়েছে যার পরিমান ১,৪২,৯৪০ টাকা। অপর দিকে এফ এম এ্যাডুকেয়ার একাডেমি’র বকেয়া ২১মাস যার পরিমান ২২,০৫০টাকা।

সরকারী বিধিকে তোয়াক্কা না করে ১কি.মি এর মধ্যে গড়ে উঠেছে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও ছাত্র সংকট দেখা দিয়েছে সরকারী প্রতিষ্ঠানটিতে। এবিষয়ে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী সুলতান মাহ্মুদ জানান অনেক আগেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে, আমরা প্রতিষ্ঠান দুইটি কে উচ্ছেদের জন্য বারবার নোটিশ দিয়েছি কিন্তু তারা এখান থেকে চলে যাচ্ছে না। আমরা পরবর্তিতে জোরালো পদক্ষেপ নেব। অক্্রফোর্ড একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলাম একই সাথে ঝিনাইদহ কালেক্টটরেট স্কুল এন্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। অক্্রফোর্ড একাডেমিতে সরজমিনে গেলে তাকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান জানান, ডিডের মেয়াদ শেষ হয়েছে কিনা আমি জানিনা তবে ভাড়া কিছুদিন বাকি থাকতে পারে। এফ এম এ্যাডুকেয়ার একাডেমিতে গেলে সেখানে কোন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা দেখা যায়নি। এবিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বলেন পতাকা নামিয়ে কর্মচারী ছুটিতে গেছে। প্রতিষ্ঠানে নতুন বিল্ডিংটি অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিছু ভাড়া বাকি আছে তাড়াতাড়ি পরিশোধ করা হবে।