একাধিক মামলার অসামী অনুপ্রবেশকারী কথিত যুবলীগ নেতা রুহুল মন্ডল বহাল তবিয়তে

সাভার প্রতিনিধি:: রাজধানী ঢাকার অদূরে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ একাধিক মামলা আসামী নামধারী যুবলীগ নেতার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে আতঙ্কিত ওই জনপদের মানুষ।


অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আশুলিয়ার চাঁনগাও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কয়েম করেছিলো রুহল আমীন মন্ডল। ওই সময় তিনি তৎকালীন বিএনপিৎর সাংসদ ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর আর্শীবাদপুষ্ট হয়েই এই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পতন হলে বুল পাল্টে হয়েযান যুবলীগ নেতা। এরপরই স্বরুপে আর্বিভাব এই নেতার। এলাকার সধারন মানুষ থেকে শুরু করে নারীরাও ছিলো তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে আতঙ্কের মধ্যে। তার ভয়ে কেউ কোন প্রতিবাদ করারও সাহস করতো না। কিন্তু ২০০৮ সালে তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পাড়াগাঁও এলাকার মৃত রহমান বেপারীর ছেলে হোসেন আলী বাদী হয়ে ৩৯৯ নং একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। এতে এজাহার নামীয় ৫ নং আসামী ছিলেন রুহুল আমীন মন্ডল। তাতেও থামেনি তার সন্ত্রাসী কাজের গতি। ২০০৯ সালে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণও নির্যাতনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে তাকে এজাহারভুক্ত আসামী হিসাবে উল্লেখ করা হয়। আশুলিয়া থানার ৭নং (নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের) মামলায় এজাহারনামীয় ২নং আসামী ছিলেন। ২০১১ সালে একই এলাকার আব্দল কুদ্দুছ মন্ডলের নিকট মোটা অংকের চাঁদা দাবী করলে সে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত মামলায় তাকে এক নম্বর এজাহার নামীয় আসামী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটির চার্জ গঠনের পর বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বলেন, রুহুল মন্ডল আগে আওয়ামীলীগের রাজনীতির আদর্শ বিরোধী ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করার পরই তে বুল পাল্টে আওয়ামীলীগ বনে যায়। তার বিরুদ্ধে এলাকায় জমিদখল, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে সীমাহীন। এরপরও রহস্যজনক কারনে সে এখন বীরদর্পে অপকর্মগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। নীরিহ মানুষ তার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাচ্ছে না।


এদিকে রুহুল মন্ডলের সাথে মুঠোফোনে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগটি গ্রহন না করায় কোন কথা বলা যায়নি। আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রিজাউল হক দিপু বলেন, অপরাধী যেকোন দলেরই হোক অভিযোগ করলে পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে কোন ছাড় দেবে না।